৫০% ছাড়
ISBN: 978-9-84-922919-3

একা একা আমেরিকা

৳  300.00 ৳  150.00

মুহাম্মাদ আদম আলী

পৃষ্ঠাসংখ্যাঃ ১৫৮

Compare

Description

একা একা আমেরিকা কিতাবটি একটি সফরনামা। ‎তুরস্ক এবং আমেরিকা সফরের কিছু চমকপ্রদ ঘটনা ‎সহজ-সুন্দর ও সাবলীল ভাষায় এতে বর্ণনা করা ‎হয়েছে। তবে এ কিতাবের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক ‎হচ্ছে, সমকালীন দু-জন প্রসিদ্ধ ইসলামী ব্যক্তিত্ব এবং ‎হরদুই হযরত মাওলানা আবরারুল হক সাহেব রহ.-এর ‎খলীফা—প্রফেসর হযরত মুহাম্মাদ হামীদুর রহমান ‎‎দামাত বারাকাতুহুম এবং হযরত মুফতী শামসুদ্দীন ‎জিয়া দামাত বারাকাতুহুম—আমেরিকায় আয়োজিত ‎ঘরোয়া মাহফিলে এদেশ থেকেই টেলিফোনে বয়ান ‎করেছিলেন যা এখানে সন্নিবেশিত হয়েছে। তাছাড়া এ ‎কিতাবে আমেরিকার মুসলমানদের বর্তমান অবস্থা তুলে ‎ধরা হয়েছে যা এক কথায় অসাধারণ। আশা করা যায়, ‎সব শ্রেণির পাঠকই এ কিতাব থেকে উপকৃত হবেন ‎এবং এটি সকলের জন্য দ্বীনের পথে অগ্রসর হওয়ার ‎‎ক্ষেত্রে সহায়ক হবে। ‎
‎লেখকের অন্যান্য কিতাব ‎
প্রফেসর হযরতের সঙ্গে আমেরিকা সফর (২০১৪), ‎পথের দিশা (২০১৪), প্রফেসর হযরতের সঙ্গে ‎নিউজিল্যান্ড সফর (২০১৪), সূর্যালোকিত মধ্যরাত্রি ‎‎(২০১৫), একজন আলোকিত মানুষ (২০১৬), ‎‎সোহবতের গল্প (২০১৭)। এছাড়া তার অনূদিত ও ‎সংকলিত আরও ১৪টি কিতাব রয়েছে। উল্লেখ্য, ‎সবগুলো কিতাবই মাকতাবাতুল ফুরকান থেকে ‎প্রকাশিত হয়েছে। ‎

[eka eka america, aka aka america]

2 reviews for একা একা আমেরিকা

  1. admin

    নতুন বই হাতে পেলে প্রথমেই যা করি যেটা আমার মত হয়ত অনেকেই করেন!? নতুন বইয়ের নতুন পাতার সুবাস নেওয়া। আর সেই বইটা যদি হয় কোন আল্লাহর পথের পথিকের তবে সেই সুবাসটা যেন অন্তর পর্যন্ত চলে যায়।দ্বীনের যত কাজ তার উদ্দেশ্য একটাই আল্লাহ পর্যন্ত পৌঁছা আর আল্লাহ পর্যন্ত পৌঁছার জন্য আল্লাহর স্মরণ একান্ত জরুরি। আমার সদ্য পড়ে শেষ করা
    কিতাবটা যেন আল্লাহর স্মরণের এক উজ্জন নির্দশন। মাকতাবাতুল ফুরকানের প্রকাশক মুহাম্মদ আদম আলী হযরত বাংলাদেশের প্রখ্যাত বুর্জুগ প্রফেসর হামীদুর রহমান (দা.বা.) কে নিয়ে দ্বীনি সফরে আমেরিকা গিয়েছেন কিন্তু এই কিতাবটি তার একা আমেরিকা সফরের একটি সফর নামা।

    কিতাবটিতে লেখক বাংলাদেশ থেকে আমেরিকার উদ্দেশ্য রওনা হওয়ার ঘটনা, মাঝে তুরস্কে অবস্থান। সেখানে ব্লু মসজিদ, তোপকাপি জাদুঘর দেখার বণর্না করেছেন।মুসলমানরা দ্বীন থেকে সরে যায় ইউরোপের নেশায়, আর কাফেরদের আল্লাহ শুধু মসজিদ আর আমল দেখিয়ে ঈমানের মত এক দৌলত দিচ্ছেন। তারপর হযরতের আমেরিকা এন্ট্রি, এন্ট্রির সময় “মুহাম্মদ” ও “আলী” নামের সাথে অংশ থাকার জন্য আটকিয়ে রাখার আর এক আমেরিকার একটা ছোট কথা ”Your name is most common, Mohammad and Ali” (জ্বি আসলেই দুটি নাম মুসলমানদের কাছে খুবই কমন শুধু কমন নয় বরং এগুলো প্রত্যেক মুসলমানের অন্তরের ধ্বনি।) নিউইর্য়ক ঘোরাঘুরি, ডালাস যাওয়া এবং এই কিতাবের মূল্যবান একটা অংশ আমাদের দেশের দুইজন বুর্জুগের ঘড়োয়া মজলিশ শ্রোতা কম কিন্তু তার ফয়দা হল বেশি। মাসিক আল কাউসারে এই কিতাবের প্রফেসর হযরতের বয়ানটা প্রকাশিত হয়, সেই থেকে আমার “একা একা আমেরিকা” কিতাবটা পড়া ইচ্ছা যা আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ পুরণ করালেন।

    “আমরা কখনও পথ পেতাম না, যদি আল্লাহ আমাদেরকে পথ প্রদর্শন না করতেন।” (সূরা আল-আরাফ ৭:৪৩)

    সফরতো আমরা সবাই করি কিন্তু তা যদি হয় আল্লাহওয়ালাদের জিয়ারতের মাধ্যম, বেদ্বীন রাষ্ট্রে কাউকে দ্বীনের পথে আগে বাড়ানোর চেষ্ঠা তাহলে তার ফায়দা সত্যিই কয়েকজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না বরং তা ছড়িয়ে যায় অনেকে দূর পর্যন্ত। আমার শেষ করা বক্ষমান কিতাবটি এটিরই এক উজ্জল উদাহরণ। সেই সাথে কিতাবের বাইন্ডিং,পেপার পড়ার আগ্রহ শতগুন
    বাড়িয়ে দেয়। একবসাতেই আলহামদুলিল্লাহ সফরের ঘটনা গুলো শেষ হয়ে যায় বাকি তিনটি বয়ান পরে পড়ে শেষ করি। বইটির দ্বারা ইনশাল্লাহ ফায়দা হবে এবং নিজেও এরকম সফরের একটা আগ্রহ ইনশাল্লাহ পোষন করবেন।

    রিয়াদুল হক
    ১৬ জুলাই ২০১৯

  2. admin

    Khandker Muhammad Arif
    25 June 2018

    আমার নেভীর কোর্সমেট মুহাম্মাদ আদম আলীর লেখা আরও একটা অনবদ্য বই পড়ে শেষ করলাম। এই বইটার নাম একটু ছন্দময় – ‘একা একা আমেরিকা’। এটা মূলতঃ তাঁর সাম্প্রতিক আমেরিকা ও তুরস্ক ভ্রমনের রোজনামচা – যার অংশ বিশেষ ভ্রমণকালেই ফেসবুকে প্রকাশিত হয়েছিল। আর তখন থেকেই মুগ্ধতা ও আগ্রহ নিয়ে আমার অপেক্ষা ছিল বইটির জন্য।

    আমেরিকায় আলীর পূর্ববর্তী সফরগুলো হয়েছিল এদেশের প্রখ্যাত দ্বীনি ব্যক্তিত্ত্ব প্রফেসর মুহাম্মাদ হামিদুর রহমানের (দা:বা:) সাথে। কিন্তু এবারে তিনি সঙ্গে ছিলেন না। বইয়ের একেবারে শুরুতে, ছোট্ট এক কবিতায় শোনা যায় লেখকের এই একক যাত্রার হাহাকার …

    “এই রোদ্দুরে একা একা নিজের ছায়া মারিয়ে
    কোথাও যাওয়া হয়ে ওঠে না আর
    তবু তোমার স্মৃতিচিহ্নে হাঁটব বলে বেরিয়েছিলাম একাই… ”

    তবে চাইলে, লেখকের এই একক ভ্রমনে আমরা সঙ্গী হতে পারি। তার লেখার সাথে ঘুরে আসতে পারি ইস্তাম্বুলের অলিগলি, নিউইয়র্কের উডসাইড অথবা বিশাল আকাশের ডালাস থেকে।পরিচিত হতে পারি সেখানকার মুসলমানদের যাপিত জীবনের সঙ্গে।

    আমার এই বন্ধুর লেখার সাথে যারা পরিচিত, তারা জানেন, অত্যন্ত গতিময় আর সাবলীল তাঁর লেখনী। আধুনিকতা আর কাব্যিক অনুভূতির সঙ্গে ইসলামী-জীবনবোধের এক অপূর্ব সংমিশ্রণ থাকে তাতে। এ বইটিও তার ব্যতিক্রম নয়। এখানেও খুব সাধারণ ঘটনাগুলো ‘সেই জীবনবোধের’ স্পর্শে অসামান্য হয়ে উপস্থাপিত হয়েছে। গতানুগতিক ভ্রমন-কাহিনীর সঙ্গে এটাই এর সবচেয়ে বড় পার্থক্য।

    এ বইটিতে আমেরিকার সমাজে মুসলমানদের অবস্থা ছোট ছোট কিছু ঘটনা দিয়ে তুলে ধরা হয়েছে। যারা পাশ্চাত্যের দেশগুলোতে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন, বা করার কথা ভাবছেন, এখানে তাদের জন্য অনেক চিন্তার খোরাক রয়েছে। পাশাপাশি পশ্চিমা সমাজে ইসলামিক মূল্যবোধ সমুন্নত রেখে চলতে গেলে কি করা দরকার সে বিষয়েও কিছু দিক-নির্দেশনা রয়েছে।

    বইয়ের শেষ ভাগে সংযোজিত হয়েছে বাংলাদেশের দুজন প্রখ্যাত দ্বীনি ব্যক্তিত্বের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বয়ান । এগুলো ওই সফরকালে টেলিফোনের মাধ্যমে, আমেরিকা প্রবাসীদের জন্য আয়োজন করা হয়েছিল।

    হার্ড কাভারে বাধাঁই করা, এন্টিক ধাঁচের কাগজে ছাপানো, সুন্দর প্রচ্ছদের এই বইটা প্রকাশিত হয়েছে ‘মাকতুবাতুল ফুরকান’ নামের প্রকাশনা সংস্থা থেকে। তাদের বাংলাবাজারের ইসলামী টাওয়ারের শো-রুম, অথবা অনলাইনে রকমারি ডট কম (rokomari.com) থেকে বইটি সংগ্রহ করা যেতে পারে।

Add a review

Your email address will not be published. Required fields are marked *