৫০% ছাড়

হাদীসের দুআ দুআর হাদীস

৳  300.00 ৳  150.00

মূল লেখক :  ইমাম আবু ঈসা তিরমিযী রহ.‎
অনুবাদ ও টীকা : মুফতী মুহাম্মাদ আব্দুল হালীম
পৃষ্ঠা : ২০০ (৮০ গ্রাম অফসেট, কালার);
প্রকাশকাল : এপ্রিল ২০১৮ (Paper Back)
ISBN : 978-984-92292-6-1
Compare

Description

সুনান আত-তিরমিযী থেকে দুআর হাদীসের এক অনবদ্য ‎সংকলন হাদীসের দুআ দুআর হাদীস। এ কিতাবের অন্যতম ‎বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, এতে কেবল দুআ উল্লেখ করা হয়নি, বরং ‎মূল হাদীসটিই তুলে ধরা হয়েছে। ইমাম আবু ঈসা তিরমিযী ‎রহ.-এর সংকলিত সুনান আত-তিরমিযী সীহাহ সিত্তাহর ‎অন্তর্ভুক্ত। সুতরাং নির্ভরযোগ্য এসব দুআর সঙ্গে মূল হাদীস ‎পড়ার অভিজ্ঞতা পাঠকের মননকে এক ভিন্ন মাত্রায় উন্নীত ‎করবে। তার দুআ সত্যিকার অর্থেই আল্লাহর সঙ্গে ‎কথোপকথনের রূপ লাভ করবে। পাঠকদের জন্য এমন ‎একটি কিতাব এর আগে সংকলন করা হয়েছে কিনা, ‎আমাদের জানা নেই। অধিকন্তু এ কিতাবে অধিকাংশ দুআর ‎সঙ্গে বিশিষ্ট ও প্রাজ্ঞ অনুবাদক কর্তৃক প্রয়োজনীয় টীকা ও ‎ব্যাখ্যা সংযোজন করা হয়েছে। আশা করা যায়, কিতাবটি ‎সকলের জন্যই দ্বীনের পথে অগ্রসর হতে সহায়তা করবে ‎ইনশাআল্লাহ। ইনবক্সে অগ্রীম অর্ডার দিতে পারেন।

[hadis er dua dua er hadis, hadish er dua dua er hadish, hadis er doa doa er hadis, hadisher dua dua er hadish, hadisher dua duaer hasdis]

1 review for হাদীসের দুআ দুআর হাদীস

  1. admin

    ‎Musa Aman‎
    2 June 2018
    আমরা প্রায়ই হাঁটতে বের হই। সেদিন রাস্তায় একজন অসুস্থ লোককে দেখে আমি কেঁপে উঠলাম। কী ভয়াবহ অসুস্থতা আল্লাহ তাকে দান করেছেন। হ্যাঁ, অসুস্থতাও আল্লাহর দান। এর মাধ্যমে তিনি বান্দার গোনাহ মাফ করেন। আমার স্ত্রী অদ্ভুদ মায়াবী দৃষ্টিতে লোকটিকে দেখছিলেন। আমি তার কাছে জানতে চাইলাম, কী দেখছ ওভাবে? লোকটি বিপদগ্রস্ত। বিপদগ্রস্ত লোককে দেখলে এই দেয়াটি পড়তে হয়। দুআটি পড়ো। আমার সাথে তিনি দুআটি পাঠ করলেন,
    ‘আলহামদু লিল্লাহিল্লাজি আফানি মিম্মাব তালাকা বিহি, ও ফাদদলানি আলা কাসিরিম মিম্মান খলাকা তাফদিলা।’
    এই দোয়াটি রাসলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শিখিয়েছেন তার উম্মতকে। একবার তিনি দোয়াটি শিখিয়ে বললেন—বর্ণনাটি হজরত আবু হুরায়রা এবং হজরত উমর থেকে ইমাম তিরমিজি উল্লেখ করেছেন—এই দোয়া যদি কোনো বিপন্ন লোককে দেখে কেউ পাঠ করে, আল্লাহ তাকে ওই বিপদ থেকে রক্ষা করবেন, যে বিপদ দেখে সে দোয়াটি পাছ করেছে।’ (দেখুন, তিরমিজি 3431>3432)
    আমার স্ত্রী দোয়াটি মুখস্থ রেখেছেন। এখন কোনো বিপদগ্রস্তকে দেখলে তিনি নিজেই আমাকে পাঠ করে শোনান।
    দোয়া মুমিনের একমাত্র সম্বল। দোয়ার চেয়ে বেশি সম্মানিত জিনিস আল্লাহর কাছে আর কিছু নেই। (তিরমিজি 3370) কেননা, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, দোয়া হলো ইবাদতের সার বা মজ্জা। দেখুন, তিরমিজি 3371) সুতরাং দোয়া ছাড়া আমাদের কোনো গত্যন্তর নেই।
    আমরা অনেকেই দোয়া করি, আমাদের দোয়া কবুল হয় না। মানে, আমরা মনে করি, আমাদের চোখের সামনে যেহেতু কোনো পরিবর্তন বা চূড়ান্ত ফলাফল দেখতে পাচ্ছি না, সুতরাং আমাদের দোয়া মনে হয় কবুল হচ্ছে না। তবে এর জন্য আমাদের আমাদের মনখারাপ করা ঠিক নয়। কারণ, দোয়া যখন ইবাদত, তখন তা কবুল হোক বা না হোক, তা আমাদের ইবাদত বলেই গৃহীত হচ্ছে। আর যখন তা ইবাদত বলে গৃহীত হচ্ছে, তখন তার জন্য অবশ্যই সাওয়াব দেওয়া হবে। এছাড়া, আল্লাহই ভালো জানেন, আমার জন্য কোন দোয়া কল্যাণকর। কোন দোয়া কবুল হলে আমার ক্যল্যাণ হবে। তবে দোয়া কবুলের একটি হাদিস জেনে রাখুন :
    একলোক একবার দোয়া এভাবে করল,
    ‘‘হে আল্লাহ, আমি তোমার কাছে এ মর্মে সাক্ষ্য দিয়ে প্রার্থনা করছি যে, তুমি আল্লাহ, তুমি ব্যতীত আর কোনো ইলাহ নেই, (তুমি) এক-অদ্বিতীয়, অমুখাপেক্ষী। তিনি কাউকে জন্ম দেন নি, এবং তাকেও জন্ম দেওয়া হয় নি। তা সমতুল্য কেউ নেই।’’
    এই দোয়া শুনে রাসুলুল্লাহ কী বলেছিলেন, জানেন?
    তিনি বললেন, সেই সত্তার কসম—যার হাতে আমার প্রাণ—এ লোকটি আল্লাহর কাছে ইসমে আজম (সর্বশ্রেষ্ঠ নাম) দ্বারা দোয়া করেছে। এই নাম দোয়ায় উল্লেখ করলে তিনি তা কবুল করেন। (তিরমিজি, 3475)
    সেদিন বাংলাবাজার গিয়েছিলাম। ইসলামি টাওয়ারে মাঝেমধ্যে যাই। বইপত্র দেখি। রমজান উপলক্ষে কত দোয়ার বই প্রকাশ পেয়েছে। হাতে নিই, দেখি, রেখে দিই। ফুরকানের বইটিও ফেসবুকে দেখেছি। প্রচ্ছদ তেমন টানে নি। তবুও সেদিন দোকানে গিয়ে বইটি হাতে নিলাম। দেখি, ফেসবুকে যতটা নরমাল মনে হয়েছিল, তার চেয়ে উল্টো বরং অনেক সুন্দর বইটি। প্রচ্ছদটি এতই মনভোলানো যে, শুধু ধরে রাখতে মন চাইছে। পৃষ্ঠা উল্টে দেখলাম। অফ হোয়াইট সম্ভবত ৮0 গ্রাম কাগজে ঝকঝকে ছাপা বইটি।
    আমি কল্পনা করতে পারি নি, বইটি আমার জন্য এত বিস্ময় নিয়ে অপেক্ষা করছে। বেশ কদিন খানিক দুশ্চিন্তায় আছি। নানামুখি ঝামেলা পোহাচ্ছি। পৃষ্ঠা উল্টাতে উল্টাতে একটি নামে আমার দৃষ্টি আটকে গেল। ‘ইয়া হাফিজু’। আল্লাহ তাআলার গুণবাচক 99 নামের একটি। আমার অন্তর বেশ প্রশান্ত হয়ে এলো এই নামের পরশে। আমাদের যদি কেউ অনুভব করে যে, তার জীবনে বিপদ নেমে আসছে, রোগ তার স্বাস্থ্যের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে, অথবা অন্য কোনো ভয়াবহ বিপদ তার জন্য অপেক্ষা করছে—তাহলে তার জন্য ‘ইয়া হাফিজু তথা ‘মহারক্ষক’ নামটি যথেষ্ট হবে। এছাড়া আরও অগণিত দোয়ার হাদিসে ভরপুর বইটি। আমি বইটির বেশ অনেক অংশ সেখানেই দাঁড়িয়ে পড়ে ফেললাম।
    ফুরকানের (Maktabatul Furqan) আরও বেশ কিছু বই আমার সংগ্রহে আছে। তাদের সকল বইই পড়ার মতো। তবুও স্বীকার করছি, এই বইটি রমজানে আমাদের জন্য শ্রেষ্ঠ উপহার। এছাড়া ইমাম তিরমিজি রহ.-এর ‘জামি আত তিরমিজি’ বিখ্যাত হাদিসের কিতাব থেকে এটি সঙ্কলন করা হয়েছে। এটি শুধু দোয়ার বই নয়, বরং দোয়ার হাদিসের বই। মানে, সরাসরি এখানে হাদিসটি উল্লেখ করেছেন সঙ্কলক। বাংলা ভাষায় এমন সঙ্কলন মনে হয় এই প্রথম। আল্লাহ তাদের কাজে, আমলে, ইবাদতে বরকত দান করুন। আমার ভালো লেগেছে আরও বেশি এই জন্য যে, প্রতিটি দোয়ার সাথে সংশ্লিষ্ট আলোচনা ও সংক্ষিপ্ত অথচ প্রয়োজনীয় টীকা যুক্ত আছে। বইটি সবার জন্য খুবই উপযোগী।
    দুইশ পৃষ্ঠার বইটি মাত্র 150 টাকায় বিক্রি করছে মূল ফুরকানের বিক্রয়কেন্দ্র।

Add a review

Your email address will not be published. Required fields are marked *