৫০% ছাড়

সর্বশেষ নবী মুহাম্মাদ (সা:) হৃদয়ের বাদশাহ (প্রথম খণ্ড)

৳  800.00 ৳  400.00

মূল লেখক : রাশীদ হাইলামায / ফাতিহ হারপসি ;
অনুবাদ : মুহাম্মাদ আদম আলী
পৃষ্ঠা : ৪৯৬ (Hard Binding); প্রকাশকাল : জুলাই ২০১৯
ISBN : 978-984-94392-1-0

Compare

Description

সর্বশেষ নবী মুহাম্মাদ সা. : হৃদয়ের বাদশাহ গ্রন্থটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ‎ওয়া সাল্লামের অনুপম আদর্শময় জীবনের বিস্তারিত উপখ্যান। ‎
যুদ্ধ-বিগ্রহের বাইরে সমাজের একজন সক্রিয় সদস্য হিসেবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‎আলাইহি ওয়া সাল্লামের ভূমিকা ও উদ্দেশ্যকে এখানে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ‎উল্লেখ্য তার জীবদ্দশায় যতগুলো যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে, তেষট্টি বছরে সেগুলোর ‎ব্যাপ্তি দুমাসেরও বেশি নয়।
এ গ্রন্থে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবনের ক্রমধারার প্রতিই ‎‎কেবল দৃষ্টি নিবদ্ধ করা হয়নি, বরং সাহাবায়ে কেরাম, পরিবার ও নিকটস্থ ‎সদস্যদের দৃষ্টিতে তার চরিত্র, আচরণ ও গুণাবলীর প্রতি সবিশেষ দৃষ্টি নিবদ্ধ ‎করা হয়েছে। ‎
একদিকে গ্রন্থটিতে একজন আদর্শ স্বামী, স্নেহময় পিতা এবং বিশ্বস্ত বন্ধুর অন্তরঙ্গ ‎চিত্র তুলে ধরা হয়েছে, অন্যদিকে একজন সাহসী যোদ্ধা ও সামরিক বিশেষজ্ঞের ‎নাটকীয় অভিযান বর্ণনা করা হয়েছে। সমাজে অন্যায়-অত্যাচার ও দাসত্বের ‎‎মোকাবেলা থেকে শুরু করে মানুষের অধিকার ও স্বাধীনতা রক্ষায় রণক্ষেত্রে ‎সংগ্রাম—এ গ্রন্থে এমন এক জীবনী তুলে ধরা হয়েছে যা একইসঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ, ‎চিত্তাকর্ষক এবং উদ্দীপক। ‎
এ গ্রন্থটি পাঠককে প্রচ- আবেগ ও গভীর নিমগ্নতায় সময় ও স্থানের বাধা ‎অতিক্রম করে শতাব্দি পুরোনো আরব উপত্যকায় নিয়ে যাবে এবং অবাক বিস্ময় ‎ও আনন্দে তাদের নতুন তথ্য আবিষ্কার ও অনুসন্ধানের সুযোগ করে দিবে। ‎
রাশীদ হাইলামায ইস্তাম্বুলে কাইনাক প্রকাশনা গ্রুপের প্রধান সম্পাদক। সাহাবায়ে কেরাম ‎ও রাসূলুল্লাহ সা. এর জীবনীর উপর তার অনেক গ্রন্থ রয়েছে। তার্কিস ভাষায় রচিত মূল ‎গ্রন্থটি তুরস্কে সবচেয়ে বেশি বিক্রিত বই। ইতোমধ্যে মাকতাবাতুল ফুরকান থেকে তার ‎‎দুটি বই অনূদিত হয়ে প্রকাশিত হয়েছে; খাদিজা : প্রথম মুসলমান এবং শেষ নবী মুহাম্মাদ ‎সা.-এর বিবি এবং জীবন ও কর্ম : আয়েশা রা. (উম্মুল মুমিনিন, সঙ্গীনী, ফকীহ)।‎
ফাতিহ হারপসি তুরস্কে জন্মেছেন এবং এখানেই বেড়ে উঠেছেন। তিনি মারমারা ‎বিশ্ববিদ্যালয়, ইস্তাম্বুল থেকে গ্রাজুয়েশন এবং ফিলাডেলফিয়ারের টেম্পল বিশ্ববিদ্যালয়ের ‎ডিপার্টমেন্ট অব রিলিজিয়ন থেকে পিএইচডি অর্জন করেছেন। ‎

(sorbosesh nobi Muhammad sm. hridoyer badsah,sorboses nobi Muhammad sm. hridoyer badsa, sorbosesh nobi Mohammad sm. hridoyer badsah)

2 reviews for সর্বশেষ নবী মুহাম্মাদ (সা:) হৃদয়ের বাদশাহ (প্রথম খণ্ড)

  1. admin (verified owner)

    মনিয়া ইবনাত মনি
    31 October
    #বুক_রিভিউ

    সীরাত নিয়ে অনেকেই অনেক বই পড়ে থাকেন।কিন্তু “মুহাম্মাদ হৃদয়ের বাদশাহ” বই সত্যিই অন্যরকম লেগেছে। চমৎকার ভাষাশৈলী ও প্রত্যকটি বিষয় কে এতো সুন্দর ভাবে বিশ্লেষণ করেছেন যে এই বইটি যেকোন পাঠকের হৃদয় ছুয়ে যাবে।

    ?লেখক পরিচিতঃএই কিতাবটি মূলত তার্কিস ভাষায় লিখা যার মূল লেখক ড. রাশীদ হাইলামায যার লিখিত আরো দুইটি গ্রন্থ মাকতাবাতুল ফুরকান থেকে প্রকাশিত হয় এবং পাঠক সমাদ্রীত হয়। ড. রাশীদ হাইলামায- যিনি একজন ইসলামী গবেষক ও সীরাত লেখক, তাঁর সাথে কিতাবটিতে রচনায় কাজ করেন ফাতিহ হারপসি যিনি তুরস্কের মারমারা বিশ্ববিদ্যালয়,ইস্তাম্বুল থেকে গ্রাজুয়েশন করেন এবং ফিলাডেলফিয়ারের টেম্পল বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিপার্টমেন্ট অব রিলিজিয়ন থেকে পিএইচডি অর্জন করেন। ২০০৬ সালে কিতাবটি তার্কিস ভাষায় প্রকাশ হওয়ার পর গ্রন্থটি পাঠক মহলে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা লাভ করে এমনকি তুরস্কের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বিক্রিত বইয়ের তালিকায় গ্রন্থটি স্থান লাভ করে। পরবর্তীতে ২০১৪ সালে আমেরিকার নিউজার্সির ‘তুগরা বুকস পাবলিকেশন’ থেকে উক্ত গ্রন্থটি অনূবাদিত হয়ে ”Sultan of Hearts: Prophet Muhammad” নামে ২ খন্ডে প্রকাশিত হয় যা এখনো এমাজন বুক স্টোরে রয়েছে। অনূদিত ইংরেজি সংস্করণ থেকেই বাংলা অনূবাদ করা হয়ঃ সর্বশেষ নবী মুহাম্মদ (সাঃ) হৃদয়ের বাদশাহ। বাংলা অনূবাদ করেন মুহাম্মদ আদম আলী যিনি মাকতাবাতুল ফুরকানের প্রকাশক এবং এর আগেও ড. রাশীদ হাইলামায এর দুটি বই তিনিই অনুবাদ করেন যা উলামায়ে কেরামসহ সকল শ্রেণির পাঠকের কাছে ব্যাপকভাবে গ্রহণযোগ্যতা পায়।

    ?অনুপম লেখনীর বইটি সীরাত জগতে এক নতুন ধারা উন্মোচন করেছে।সীরাত গ্রন্থটি প্রারম্ভিকেই বইটি সম্পর্কে পাঠককে এমন একটা ধারনা দিয়েছে, যা গ্রন্থ অন্তর্নিহিত আলোচনার সারসংক্ষেপ। এবং পরবর্তীতে সূচী পত্র। গ্রন্থটি মূলত তিঁতত্রিশ টি পরিচ্ছেদ নিয়ে ঘটনা গুলো আলোকপাত করা হয়েছে। প্রতিটি বিষয় পয়েন্ট আকারে আলোচনা করায় বিষয় গুলো পাঠকের নিকট আলাদা আলাদা ভাবে উপস্থাপিত হয়।এতে পঠন সহজবোধ্য।
    গ্রন্থটিতে সর্বশ্রেষ্ঠ নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামে “বাক্কা উপত্যকার প্রতিধ্বনি” আর ”ইব্রাহিম আঃ-এর দুআ” দিয়ে এক আখেরী নবী এ আগমনের সংবাদ দিয়ে শুরু করা হয়েছে।সংক্ষিপ্ত ভাবে আদম আঃ থেকে শুরু করে মূসা (আ:) এর তূর পাহাড়ের ঘটনা এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আর্বিভাবের আগে সেসময়ের ধর্মযাজক বা পন্ডিতদের ভবিষ্যতবানী নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এরপর আরিয়ান ও আবরাহা এর শাসন আমল হস্তিবাহিনীর ঘটনা ইত্যাদী সহজ সাবলীল ভাষায় আলোকপাত করা হয়েছে।
    রাসূল সাঃ এর শৈশব হতে কৈশর কিকরে কাটলো।দুধমাতা হলিমা হতে আবু তালিবের সহোদরে এবং খাদিজা রাঃ পর্যন্ত বিষয় গুলো সুক্ষ্ম ভালো তুলে ধরা হয়েছে।রাসূল সাঃএর মক্কায় ব্যবসায়, বিবাহ, জাহেলী যুগের ঘটনা ও রাসূল সাঃ এর মক্কা জীবন সমূহ আলোচনা করা হয়েছে। নবুওয়াতের পূর্বে এবং পরে মক্কার পরিবেশ,মক্কাবাসীদের নিকট কালেমার দাওয়াত,অবিশ্বাসীদের অমানবিক নির্যাতন, অনাহারে জীবন-যাপন।এরপর আল্লাহর নির্দেশে দারুল আরকাম,আবিসিনিয়া,মদীনায় হিজরত ও হিজরতকালীন নানা বিপদ মুসিবত গুলো এমন ভাবে আলোকপাত করা হয়েছে যে,কল্পনায় সেই সময় গুলো চক্ষুদয়ে ভেসে বেড়াবে। এর পরবর্তীতে ইরসা ও মিরাজের ঘটনাবলী।এভাবেই এক হৃদয়বিদারক ঘটনার রচনা হল।প্রতিটি ঘটনা এমন ভাবে আলোচনা করা হয়েছে যে,পাঠকের নিকট সবচেয়ে সহজবোধ্য।

    ?বইটির প্রচ্ছদ উন্নতমানের প্রিন্টিং,হার্ডকভারের বাইন্ডিং এবং পাতা গুলো সুন্দর ভাবে সাজানো।পাঠকের অধ্যয়ের সুবিধার্থে লেখক প্রতিটি ঘটনা সুস্পষ্ট ও সহজ সাবলীল করে সাজিয়েছেন। এখানে ঘটনা বর্ণনায় এমন এক অভিব্যক্তি ব্যবহার করা হয়েছে—যা পাঠককে আলোড়িত করে, চিন্তায় নিমগ্ন করে এবং সামনে অগ্রসর হতে উৎসাহিত করে। এজন্য গতিশীল পাঠের নিমিত্তে প্রতিটি ঘটনায়-ই সূত্র উল্লেখ করা হয়নি। কেবল সেইসব ঘটনার ক্ষেত্রে ফুটনোট ব্যবহার করা হয়েছে—যা প্রসিদ্ধ সিরাতগ্রন্থে বিস্তারিতভাবে উল্লেখিত হয়নি। প্রথম খণ্ডে নবিজি ﷺ-র জন্ম থেকে নিয়ে ইসরা-মেরাজ পর্যন্ত আলোচিত হয়েছে। আশা করি, পাঠকগণ এ গ্রন্থে রাসূল ﷺ-এর জীবনী সম্পর্কে ভিন্ন এক অভিজ্ঞতা লাভ করবে।

  2. admin (verified owner)

    আব্দুর রহমান
    31 October
    #বুক_রিভিউ
    .
    বই : মুহাম্মদ (স:) হৃদয়ের বাদশাহ ১ম খন্ড
    লেখক :রাশীদ হাইলামায ও ফাতিহ হারপসি
    অনুবাদ : মুহাম্মদ আদম আলী
    প্রকাশনী : মাকতাবাতুল ফুরকান
    মুদ্রিত মূল্যঃ ৮০০ টাকা
    পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ৪৯৫
    .
    আমরা সচরাচর রাসূল (স:) এর যেসব জীবনী পড়ি তাতে থরে থরে সাজানো থাকে তথ্যের স্তুপ অথবা কোন জীবনীতে সাহিত্যের দৃষ্টিকোণ থেকে অতি বাড়াবাড়ি করা হয়। আবার যেসব জীবনীতে বেশি পরিমানে তথ্য থাকে তাতে ঘটনাগুলোর বিশ্লেষণ করা থাকেনা। কিন্তু “সুলতান অব হার্টস” গ্রন্থটি লেখক এ দুইয়ের মাঝামাঝি থেকে লিখেছেন। এই কিতাবের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য হলো এখানে লেখক নবীজির জীবনীকে তথ্যের স্তুপ না বানিয়ে সাহিত্যিক ভাবধারা অক্ষুণ্ণ রেখে ঘটনা গুলো বিশ্লেষণ করেছেন। চমৎকার ভাষাশৈলী ও উপমার ব্যবহার পাঠককে ধরে রাখবে বইয়ের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত। বইটি লিখেছেন রশীদ হাইলামায ও ফাতিহ হারাপশী।
    লেখক পরিচিতি
    রশীদ হাইলামায। যিনি একাধারে একজন লেখক, গবেষক, ও সম্পাদক। ইস্তাম্বুলের কায়নাক প্রকাশনা গ্রুপের প্রধান সম্পাদক।
    পক্ষান্তরে ফাতিহ হারাপশী জন্মেছেন তুরস্কের ইস্তাম্বুলে। তিনি ইস্তাম্বুলে অবস্থিত মারমারা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্রাজুয়েশন এবং ফিলাডেলফিয়ার টেম্পল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করেন।
    বিশিষ্ট অনুবাদক মুহাম্মদ আদম আলী কতৃক বাংলায় অনুবাদের পর বইটির নাম হয়েছে “মুহাম্মদ (সা:) হৃদয়ের বাদশা”।
    ,
    ▶সার-সংক্ষেপ:-
    “মুহাম্মদ (সা:) হৃদয়ের বাদশা” প্রথম খন্ড বইটি লেখক ৪৬ পর্বে ভাগ করেছেন। প্রতিটি পর্বকে আনার বিভিন্ন অনুচ্ছেদে বিভক্ত করেছেন। যাতে পড়তে গিয়ে পাঠকের ক্লান্তিবোধ হবে না ।
    বইতে রাসূল (স:) এর জীবনের ঘটনাগুলো জন্ম থেকে শুরু না করে বরং ইবরাহিম (আ:) এর সময়কাল থেকে শুরু করেছেন। ইবরাহিম ও ইসমাইল (আ:) ঘটনাসমূহ ও ইব্রাহিম (আ:) থেকে রাসূল (স:) পর্যন্ত বংশধারা বর্ণিত হয়েছে। এরপর লেখক আবরাহার হাতি বাহিনীর ঘটনা বর্ণনায় এনেছেন। যা রাসূল (স) এর জন্মের মাত্র ৫০ দিন পূর্বে সংঘটিত হয়েছিল।
    রাসূল (স:) এর জন্মের সময় ঘটে যেতে থাকে নানারকম আশ্চর্যজনক ঘটনা। মা আমিনার কোলে জন্ম হওয়ার পর বিবি হালিমা রাসূল (স:) কে লালন পালন করার জন্য তার গৃহে নিয়ে আসেন। সেখানে বিবি হালিমা রাসুল (স:) কে ছয় বছর যাবৎ পালন করেছিলেন। ছোট অবস্থাতেই রাসূল (স:) এর মাতা আমিনা ইন্তেকাল করেন। তার পিতা আব্দুল্লাহ তো ইন্তেকাল করেছেন রাসূল (স:) এর জন্মের পূর্বেই। এরপর রাসূল (স:) এর অভিভাবকত্ব তার দাদা আব্দুল মুত্তালিব গ্রহন করেন। দাদা আব্দুল মুত্তালিবের মৃত্যুর পর তার দায়িত্ব গ্রহণ করেন আবু তালিব।
    ব্যবসা বানিজ্যের মাধ্যমে রাসূল (স:) দিনযাপন করতেন । খাদিজা (রা:) নামক এক ধর্নাঢ্য মহিলার সাথে রাসূল (স:) এর বিয়ে হয়।
    হেরা গুহায় সর্বপ্রথম ওহী নিয়ে আসেন ফেরেশতা জিবরাঈল। শুরু হয় নবুয়তের সূচনা। ধীরে ধীরে রাসূল (স:) ইসলামের প্রচার প্রচারণা শুরু করেন। ইসলাম প্রচারের কারনে রাসূল (স:) সাহাবীদের নিয়ে বেশকিছু দিন যাবত শিয়াবে আবি তালিবে অবরুদ্ধ জীবনযাবন করেন।
    মুসলমানদের উপর চলতে থাকে শারীরিক ও মানুষিক সবরকম নির্যাতন। এরপর আবিসিনিয়াতে হিজরত এবং মিরাজের বিস্তারিত বর্ণনা প্রদানের মাধ্যমে ১ম খন্ড শেষ করা হয়েছে।
    ,
    ▶ব্যক্তিগত অনূভুতি:-
    ব্যক্তিগত অনূভুতি যদি বলতে হয় তাহলে বলবো বইটি এককথায় অসাধারন। বইয়ের প্রতিটি পাতায় রয়েছে লেখকগণের কঠোর পরিশ্রমের ছোয়া। সঠিক শব্দচয়ন, মজবুত ও পাকাপোক্ত শব্দের গাঁথুনি বইটিকে নিয়ে গেছে এক অনন্য উচ্চতায়। বইয়ের প্রতিটি বাক্যই যে অভূতপূর্ব ভালোলাগায় সম্মোহিত করে রাখবে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত। বইটি পড়তে গিয়ে পাঠক কোথাও বিরক্তবোধ করবেন না। নিজের অজান্তেই হারিয়ে যাবেন সীরাতের অজানা ভুবনে। মনে হবে, নতুন করে জানছেন রাসূল (স:) কে
    বইটি পড়ার পর পাঠক আরো বুঝতে পারবেন রাসূলের দুনিয়ার জীবন কেমন ছিল। জানতে পারবেন রাসূল (স:) এর আচার আচরণ ও কর্মপন্থা সম্পর্কে। যা আমাদের জন্য অনুসরণীয়।
    বইটি পড়ার সময় পাঠক রাসূল (স:) এর দুনিয়ার জীবনের দূ:খ কষ্টের কথা ভেবে যেকোনো পাঠক কাঁদবেন। চক্ষুদ্বয় অশ্রুসিক্ত হয়ে গড়িয়ে পড়বে অশ্রুফোটা । কল্পনায় ভেসে উঠবে রাসূল (স:) এর সেই সময়ের ইমানদীপ্ত মুহুর্তগুলো।
    এমন খুব কম বই আছে যার প্রতিটি বাক্য ভালো লাগার, প্রতিটি পাতায় মিশে থাকে জ্ঞানের ছোয়া ও শিক্ষণীয় মেসেজ ” মুহাম্মদ হৃদয়ের বাদশা ” বইটি তার মধ্যে অন্যতম। সত্যি তো রাসূল (স:) এর দুনিয়াবী জীবনের থেকে শিক্ষনীয় তো আর কিছু নেই । রাসূল (স:) এমন একজন মানুষ যাকে অনুসরণ করলে দুনিয়ার জীবন পরিচালনা করলে সুখ ও শান্তির পথে চলা সম্ভব।
    সব মিলিয়ে বইটি খুবই ভালো এবং উপকারী। তাই সকল পাঠকের প্রতি অনুরোধ বইটি একবার হলেও পড়ুন আর জীবনকে রাঙিয়ে তুলুন রাসূল (স:) এর জীবন ও আদর্শের আলোকে।
    .
    ▶শেষ কথাঃ-
    সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবায়ে-কেরামের উপর। বর্তমান সমাজের প্রেক্ষাপট অনুযায়ী রাসূল (স:) এর এত সুন্দর একটি সীরাত বই পাঠকের হাতে পৌছে দেয়ার জন্য লেখক,অনুবাদক,প্রকাশক, সহ বইয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে আল্লাহ উত্তম প্রতিদান দিন। সেই সাথে দোয়া করি আল্লাহ যেন এই বইয়ের মাধ্যমে পাঠকসমাজকে সর্বাধিক উপকৃত হওয়ার তাওফিক দান করেন।

Add a review

Your email address will not be published. Required fields are marked *